প্রশ্ন: সাধারণ ব্যথা ও প্রসব বেদনার মধ্যে কীভাবে ফারাক করা যায়?
উত্তর: গর্ভাবস্থার শেষ দিকে প্রায়ই পেট শক্ত হয়ে কিছু পেটব্যথা হয়। এই ব্যথা কিছু বিশ্রাম নিলে বা ওষুধ খেলে কমেও যায়। কিন্তু প্রসব বেদনা পেছন দিক থেকে সামনে বা তলপেটে শুরু হয়ে একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর উঠতে থাকে। এর তীব্রতা কমে না বরং বাড়তেই থাকে আর দুই ব্যথার মধ্যবর্তী ফাঁকটুকুও কমতে থাকে। কোনো ওষুধে বা বিশ্রামে চলে যায় না। এমন হলে তবে বুঝতে হবে ব্যথা শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে পানি ভেঙে গেলে আর কোনো সন্দেহই থাকবে না।
ডা. রোনা লায়লা, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।
প্রশ্ন: নবজাতক শিশুর দিন-রাতের ঘুমচক্র ঠিক হতে কত দিন সময় লাগে?
উত্তর: জন্মের পর শিশুরা সাধারণত দুই থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমায়। পাঁচ-ছয় মাস বয়স হওয়ার পর ঘুমের ছন্দে একটি পরিণত ভাব আসে। শিশুরা রাত জাগলে তাই ধৈর্য না হারিয়ে অপেক্ষা করুন। এমনিতে টানা চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকা পর্যন্ত শিশুকে জাগানো উচিত নয়। এর বেশি ঘুমালে হালকা সুড়সুড়ি দিয়ে জাগিয়ে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। পেট ভরে গেলে সে আবারও নিবিড় ঘুমে তলিয়ে যাবে। ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, শিশু বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
প্রশ্ন: রুটি ও নানরুটি খাওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি?
উত্তর: অবশ্যই আছে। বাড়িতে তৈরি রুটিতে আটা ও লবণ ছাড়া আর কিছুই নেই। আটায় আঁশ বা ফাইবারও বেশি। কিন্তু নানরুটি তৈরির সময় ময়দা, ঘি বা ডালডা, কলা ইত্যাদি মেশানো হয়। ময়দায় আঁশের পরিমাণও কম। তাই যাঁরা ওজন, শর্করা বা চর্বি কমাতে চান, তাঁদের জন্য হাতে বেলা রুটিই শ্রেয়।
আখতারুন নাহার, পুষ্টিবিদ, বারডেম।
প্রশ্ন: নবজাতকের জন্ডিস হলে কি বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে?
উত্তর: নবজাতক বা শিশুদের জন্ডিস অনেক কারণেই হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত রাখা যাবে না। শিশুকে নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বিশেষ করে নবজাতকের ফিজিওলজিক্যাল বা স্বাভাবিক জন্ডিসের মূল চিকিৎসাই হচ্ছে শিশুকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত বুকের দুধ খাওয়ানো।
ডা. মো. মাহবুবুল আলম, ঢাকা শিশু হাসপাতাল
প্রশ্ন: মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, এই ধারণা কি ঠিক?
উত্তর: মাসিক বন্ধ হওয়ার সঙ্গে মোটা হওয়ার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হরমোনের মাত্রা কমে যায়। এ কারণে হূদেরাগের ঝুঁকি বাড়ে। তা ছাড়া এই বয়স, অর্থাৎ ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে। তাই এ সময় খাদ্যনিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে সঠিক ওজন বজায় রাখা উচিত। ডা. রোনা লায়লা, বারডেম হাসপাতাল।
উত্তর: গর্ভাবস্থার শেষ দিকে প্রায়ই পেট শক্ত হয়ে কিছু পেটব্যথা হয়। এই ব্যথা কিছু বিশ্রাম নিলে বা ওষুধ খেলে কমেও যায়। কিন্তু প্রসব বেদনা পেছন দিক থেকে সামনে বা তলপেটে শুরু হয়ে একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর উঠতে থাকে। এর তীব্রতা কমে না বরং বাড়তেই থাকে আর দুই ব্যথার মধ্যবর্তী ফাঁকটুকুও কমতে থাকে। কোনো ওষুধে বা বিশ্রামে চলে যায় না। এমন হলে তবে বুঝতে হবে ব্যথা শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে পানি ভেঙে গেলে আর কোনো সন্দেহই থাকবে না।
ডা. রোনা লায়লা, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।
প্রশ্ন: নবজাতক শিশুর দিন-রাতের ঘুমচক্র ঠিক হতে কত দিন সময় লাগে?
উত্তর: জন্মের পর শিশুরা সাধারণত দুই থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত দিনে গড়ে ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা ঘুমায়। পাঁচ-ছয় মাস বয়স হওয়ার পর ঘুমের ছন্দে একটি পরিণত ভাব আসে। শিশুরা রাত জাগলে তাই ধৈর্য না হারিয়ে অপেক্ষা করুন। এমনিতে টানা চার ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকা পর্যন্ত শিশুকে জাগানো উচিত নয়। এর বেশি ঘুমালে হালকা সুড়সুড়ি দিয়ে জাগিয়ে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। পেট ভরে গেলে সে আবারও নিবিড় ঘুমে তলিয়ে যাবে। ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, শিশু বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
প্রশ্ন: রুটি ও নানরুটি খাওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি?
উত্তর: অবশ্যই আছে। বাড়িতে তৈরি রুটিতে আটা ও লবণ ছাড়া আর কিছুই নেই। আটায় আঁশ বা ফাইবারও বেশি। কিন্তু নানরুটি তৈরির সময় ময়দা, ঘি বা ডালডা, কলা ইত্যাদি মেশানো হয়। ময়দায় আঁশের পরিমাণও কম। তাই যাঁরা ওজন, শর্করা বা চর্বি কমাতে চান, তাঁদের জন্য হাতে বেলা রুটিই শ্রেয়।
আখতারুন নাহার, পুষ্টিবিদ, বারডেম।
প্রশ্ন: নবজাতকের জন্ডিস হলে কি বুকের দুধ খাওয়ানো যাবে?
উত্তর: নবজাতক বা শিশুদের জন্ডিস অনেক কারণেই হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত রাখা যাবে না। শিশুকে নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর পর বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বিশেষ করে নবজাতকের ফিজিওলজিক্যাল বা স্বাভাবিক জন্ডিসের মূল চিকিৎসাই হচ্ছে শিশুকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত বুকের দুধ খাওয়ানো।
ডা. মো. মাহবুবুল আলম, ঢাকা শিশু হাসপাতাল
প্রশ্ন: মেয়েদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, এই ধারণা কি ঠিক?
উত্তর: মাসিক বন্ধ হওয়ার সঙ্গে মোটা হওয়ার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। তবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হরমোনের মাত্রা কমে যায়। এ কারণে হূদেরাগের ঝুঁকি বাড়ে। তা ছাড়া এই বয়স, অর্থাৎ ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে। তাই এ সময় খাদ্যনিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে সঠিক ওজন বজায় রাখা উচিত। ডা. রোনা লায়লা, বারডেম হাসপাতাল।
No comments:
Post a Comment